তেল কিভাবে চুলকে ভালো রাখবে জেনে নিন

30

রূপচর্চা ডেস্কঃ চুলেই মে দের সৌন্দর্য। সেই চুলের যত্ন নিতে আমরা অনেক কিছু করে থাকি। আগের কাল মা, কাকিমারা চুলের যত্ন নেওয়া বলতে বুঝতেন মাথাতে তেল দেওয়া। কিন্তু বর্তমানে আমরা অনেকেই তেল দিতে চাই না। চুলে তেলের উপকার অনস্বীকার্য।  উপকারী ফ্যাটি অ্যাসিড থেকে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং মিনারেলের উৎস এই তেল। কিন্তু সব তেল দিলেই হবে না চুলের ধরন বুঝে তেল ব্যাবহার করুন

  • অ্যান্টি-এজিংয়ের জন্য খুব ভাল হল প্রিমরোজ় অয়েল এবং অলিভ অয়েল। শুষ্ক কিংবা স্বাভাবিক ত্বকে এই তেল খুব ভাল কাজ করে। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে আসা ত্বকের শুষ্কতা দূর করে ত্বককে সজীব এবং কোমল করে তুলতে এই তেলের জুড়ি মেলা ভার। পাশাপাশি এতে বলিরেখা, ফাইন লাইনস, দাগ-ছোপও কমে। তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে বাছতে পারেন গ্রেপসিড অয়েল। একই রকম উপকার পাবেন। স্যান্ডলউড অয়েলও ব্যবহার করতে পারেন।
  • শুষ্ক ত্বক এবং চুলকে কোমল রাখতে বাছুন নারকেল তেল। এই তেলে প্রায় সব ধরনের গুণই বর্তমান। ত্বক এবং চুলকে যাবতীয় পুষ্টি প্রদান করবে নারকেল তেল। তবে এই তেল যেহেতু একটু ভারী, তাই প্রথমে অল্প পরিমাণে তেল নিন। যদি তেল পুরোপুরি ত্বকে অ্যাবসর্ব হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে ধীরে ধীরে  পরিমাণ বাড়াতে পারেন।
  • অ্যাকনের সমস্যায় টি-ট্রি অয়েল যে কতটা কার্যকরী, তা আমরা সকলেই জানি। ঠিক একইভাবে র‌্যাশ কিংবা ত্বকের অন্য কোনও ইনফেকশনে কাজে লাগাতে পারেন জেরানিয়াম অয়েল বা ক্যামোমাইল অয়েল। খুব ভাল ফল পাবেন।
  • খুশকির সমস্যা থাকলে সাধারণ হেয়ার অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে নিতে পারেন কয়েক ফোঁটা রোজ়মেরি অয়েল। ম্যাজিকের মতো কাজ করবে এই মিশ্রণ। স্ক্যাল্পে পুষ্টির জোগান দিয়ে খুশকির সমস্যা দূর করতে সাহায্য করবে।
  • চুলে স্প্লিট এন্ডস বা ডগা চেরার সমস্যা থাকলে প্রতিদিন অল্প পরিমাণ আর্গান অয়েল হাতের তালুতে ভালভাবে মাসাজ করে চুলের ডগায় লাগান। শ্যাম্পু করার আগেও অল্প পরিমাণে এই তেল চুলে মালিশ করে নিতে পারেন। এতে শ্যাম্পুর পরও চুল নরম থাকবে।
  • পাতলা চুল এবং চুল পড়ার সমস্যায় কাজে লাগান ক্যাস্টর অয়েল। তবে রাতারাতি ফলের আশা করা কিন্তু বৃথা। অন্তত মাস তিনেক সময় দিতে হবে। নিয়মিত অল্প পরিমাণ বিশুদ্ধ ক্যাস্টর অয়েল স্ক্যাল্পে লাগিয়ে হালকা হাতে মাসাজ করুন। চুল খুব চটচটে মনে হলে পরদিন শ্যাম্পু করে নিতে পারেন।
ছবি সংগৃহীত