সৌরভ একদিন বোর্ড সভাপতি হবেন, ১২ বছর আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন সহবাগ

448

ওয়েব ডেস্ক, ২৮ অক্টোবরঃ একদিন না একদিন বিসিসিআইয়ের সভাপতি পদে বসবেন সৌরভ গাঙ্গুলি। ১২ বছর আগে এমনই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন বীরেন্দ্র সহবাগ। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন ওপেনার। বীরুর ভবিষদ্বাণীকে সত্যি করে বাস্তবেই বোর্ডের মসনদে বসেছেন বাংলার মহারাজ।

২০০৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের একটি ঘটনার কথা তুলে শেহবাগ বলেন, ‘‌দাদা যখন দল থেকে বাদ পড়েছিল, নিয়মিত যোগাযোগ রাখতাম। সেই সময় ওকে ভেঙে পড়তে দেখিনি। সৌরভ গাঙ্গুলি বোর্ড প্রেসিডেন্ট হচ্ছে শোনার পরই মনে পড়েছিল কেপ টাউনের কথা। আমি আর জাফর তাড়াতাড়ি আউট হয়ে গিয়েছিলাম। শচীন চারে নামত। অন্যজন কে?‌ দাদাকে বলা হল। প্রচণ্ড চাপ ছিল। কিন্তু যেভাবে ব্যাট করেছিল, অবিশ্বাস্য। দাদা ছাড়া কেউ পারত না। সেদিনই আমরা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিলাম, দাদা একদিন বোর্ড প্রেসিডেন্ট হবেই।’‌ ‌‌

কোন গুণে সৌরভ বাকিদের থেকে আলাদা?‌ শেহবাগ বললেন, ‘‌দাদা সবার কথা মন দিয়ে শোনে। কিন্তু যেটা ঠিক, সেটাই করে। ‌২০০০ সালে ক্যাপ্টেন হওয়ার পর বিদেশে জিততে শিখিয়েছিল। বিশ্বাস করি, বোর্ড প্রেসিডেন্ট হিসেবেও তাই–ই করবে। আইসিসি–র দরবারে ভারতের প্রাধান্য ও উপস্থিতি আরও ভাল করে বুঝিয়ে দেবে। দায়িত্ব নেওয়ার পরই দাদা বলেছে, ঘরোয়া ক্রিকেটে মন দেবে। ওর থেকে ভাল এই কাজটা আর কেউ করতে পারবে না।

শেওয়াগ বলেন, “দাদা একজন শার্প ক্যাপ্টেন। অধিনায়কত্বের সময়ে সবসময়ে সহজাত প্রবৃত্তিকে মান্যতা দিত। অধিকাংশ সময়েই দলের বাকিদের পরামর্শ নিত। তবে নিজে যেটা সঠিক মনে করত, সেই সিদ্ধান্তই নিত।”শেওয়াগের আরও সংযোজন করেন, “ও হয়তো দলের সিনিয়র ক্রিকেটারদের- জাহির খান, আমি হরভজন সিংদের প্রতিপক্ষ এবং কন্ডিশন বিষয়ে জিজ্ঞাসা করত। আমাদের ছয়-সাত রকমের মতামত জমা পড়ার পরে ও হয়তো তার মধ্যে একটা মতামত কিংবা সম্পূর্ণ নিজস্ব মত যেটা বাকিদের থেকে আলাদা তা প্রয়োগ করত। এটা নেতৃত্ব দেওয়ার স্বভাবজাত  প্রবণতা।”