কোচবিহার শহর থেকে মহাষ্টমীতে আটক কয়েকশো কেজি মরা মুরগি

1711

কোচবিহার ৬ অক্টোবরঃ রবিবার মহাষ্টমীর ধুমধাম এইদিন বাংলার প্রানবন্ত উৎসব শারদ উৎসবে বিশেষ মাত্রা দিয়ে থাকে। উৎসবের একটি অন্যতম অঙ্গ খাওয়া দাওয়া। সময়ের বদলে মানুষের খাদ্যাভাসে ঘটেছে পরিবর্তন। এপ্রজন্ম ঝুঁকেছে ফাস্টফুডে। আজকের দিন ভীষণ রঙিন বাংলার প্রতিটি মানুষের কাছে। আর এইদিন টিনেজদের কাছে যেন এক অন্য মাত্রা। শুধু  মুখে তো আর পূজা ঘোরা যায় না, কিছু গল্প কিছু রস সবে না চাই এই পূজাতেই ফাস্টফুডের দোকানে বসে চুটিয়ে প্রেম অথবা রাতের আহার হোটেলের সাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে অনেকেরই। আর এই দিনটিকে বেছে নিয়ে অধিক লাভের আশায় এক অসাধু ব্যবসায়ী ছক কোশে নেমেছিল বাজারে কিন্তু শেষ রক্ষা হল কোই। শেষে কিনা শ্রীঘরে যেতে হল তাকে। প্রশাসনিক তৎপরতায় কয়েকশো কেজি অনেক দিনের পুরানো মরা মুরগি আটক করা হয় রবিবার। বরফ দিয়ে মাছের পেটিতে এই মুরগি গুলিকে রাখা হয়েছিল।

কোচবিহার ভবানীগঞ্জ বাজার এলাকার পাওয়ার হাউস মোড়ে পুরাতন মসজিদ  সংলগ্ন এলাকা থেকে অনেক দিনের পুরানো ও মরা মুরগি বাজেয়াপ্ত করল কোচবিহার পৌরসভা। রবিবার মহাষ্টমীর এইদিনে বিশেষ সুত্রে খবর পেয়ে কোচবিহার সদর মহকুমার শাসক সঞ্জয় পাল নিজে ওই এলাকায় গিয়ে তৎপরতা গ্রহণ করেন এবং ওই ব্যবসায়ীকে তুলে দেন পুলিশের হাতে। পরে কোচবিহার পৌরসভার আটক হওয়া ওই মুরগি গুলিকে বাজেয়াপ্ত করেন এবং ফুটপাথ থেকে ওই ব্যবসায়ীর দোকান টিকে তুলে দেওয়া হয়।

কোচবিহার পৌরসভার জনস্বাস্থ্য অধিকর্তা বিশ্বজিৎ রায় জানিয়েছেন কোচবিহার শহরের মতো গুরুত্ব পূর্ণ এই স্থানে এই ধরণের ব্যবসা করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ ।সকলকে ফাকি দিয়ে ওই অসাধু ব্যবসায়ী যা করছিলেন তা মোটেই মানা যায়না। তাই আমরা বাধ্য হই দোকানটি তুলে দিতে এবং আটক হওয়া মুরগি গুলিকে বাজেয়াপ্ত করতে।

সদর মহকুমা শাসক সঞ্জয় পাল বলেন ওই অসাধু ব্যবসায়ীকে আটক করে আমরা সর্বস্তরের ব্যবসায়ীদের বার্তা দিতে চাই পরবর্তী কালে যেন এধরণের ঘটনা না ঘটে ।