সুশান্তের তদন্তে বাঁধা, তদন্তকারী অফিসারকে ‘জোর করে’পাঠানো হল কোয়ারেন্টাইনে, দাবি পুলিশের

155

ওয়েব ডেস্ক, ৩ আগস্টঃ করোনা আবহের মাঝে গত জুন মাসের প্রথম দিকে কাঁদিয়ে ক্রিজ ছেড়েছিল পর্দার ধোনি। আর তারপরই ক্রমশ সিবিআই তদন্তের দাবি চায়ে বসেছিলেন রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে সাধারন মানুষ। তবে এবারে সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর তদন্তে নয়া মোড়। এবার বিহার পুলিশের তদন্তকারী আইপিএস অফিসার বিনয় তিওয়ারিকে জোর করে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানোর অভিযোগ উঠল। সেই এফআইআরের ভিত্তিতেই মুম্বই পৌঁছায় বিহার পুলিশের চার সদস্যের একটি দল। বারবার সেই টিমের সঙ্গে অসহযোগিতা করবার অভিযোগ উঠেছে মুম্বই পুলিশের বিরুদ্ধে। রবিবারই সেই দলের নেতৃত্বে মুম্বই পৌঁছান পাটনার (সেন্ট্রাল) এসপি বিনয় তিওয়ারি। এবার তাঁকে ‘জোর করে’কোয়ারেন্টাইন করার অভিযোগ উঠল মহারাষ্ট্র সরকারের বিরুদ্ধে।

এই ঘটনায় বৃহন্মুম্বই পুরসভার এক আধিকারিককে কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে। তদন্তে বাধা দিতে ওই আধিকারিককে পরিকল্পনামাফিক কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে বলেই অভিযোগ।

রবিবার টুইট করে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানোর কথা জানান বিহারের ডিজিপি গুপ্তেশ্বর পাণ্ডে। তিনি লেখেন, “আইপিএস অফিসার বিনয় তিওয়ার পাটনা থেকে মুম্বই পৌঁছন রবিবার। যে দলটি মুম্বইয়ে তদন্ত করছে তার নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য যান তিনি। কিন্তু রাত ১১টা নাগাদ তাঁকে জোর করে কোয়ারেন্টাইনে পাঠান বৃহন্মুম্বই পুরসভার আধিকারিকরা। অনেক অনুরোধের পরেও তাঁকে আইপিএস মেসে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে গোরেগাঁওতে একটি গেস্ট হাউসে থাকতে হচ্ছে বিনয়কে।”

সুশান্তের মৃত্যুর তদন্ত নিয়ে দুই রাজ্যের মধ্যে টানাপোড়েন যে চলছে তা স্পষ্ট। ইতিমধ্যেই এই মামলার জল গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সুশান্তের বাবার এফআইআরের খবর সামনে আসতেই সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দায়ের করেন রিয়া চক্রবর্তী, তাঁর দাবি এই মামলা আইনগত অধিকারক্ষেত্রের মধ্যে পড়ে না তাই কোনওভাবেই এই মামলার তদন্ত করতে পারেনা পাটনা পুলিশ। রিয়ার দাবি সমর্থন করে আদালতে ক্যাভিয়েট দাখিল করেছে উদ্ধব ঠাকরে সরকারও। অন্যদিকে পাল্টা ক্যাভিয়েট দায়ের করা হয়েছে সুশান্তের বাবা কেকে সিং এবং নীতিশ কুমার সরকারের তরফে।