করোনা কোয়ারাইন্টাইন সেন্টারের দুষিত পদার্থ পাড়ার মধ্যে দিয়ে যাওয়া নালায় ফেলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা রঘুনাথপুরে

30

বালুরঘাট, ২৮ এপ্রিলঃ কোয়ারাইন্টাইন সেন্টারের দুষিত পদার্থ  সেন্টার সংলগ্ন পাড়ার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া নালায় ফেলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা এলাকায়। অভিযোগ, এই নিয়ে প্রতিবেশিরা জেলাশাসক ও স্বাস্থ্য আধিকারিকের নিকট প্রতিবাদ করায় পুলিশের হুমকির মুখে পড়তে হয় স্থানীয় মানুষকে। ঘটনাটি ঘটেছে বালুরঘাট শহরের বড় রঘুনাথপুর এলাকার নাট্য উর্কর্ষ কেন্দ্রের পাড়ায়।

যদিও জেলা পুলিশের ডিএস পি ধীমান মিত্র সেই অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, তাদের কাছে এমন ধরনের কোন ঘটনার খবর নেই।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, করোনার জন্য বালুরঘাট শহরের বড় রঘুনাথপুর এলাকায় নবনির্মিত নাট্য উকর্ষ্য কেন্দ্রে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোয়ারাইন্টাইন সেন্টার গড়া হয়। সেখানে রোগীদের ব্যবহৃত  গ্লাভস সহ নানান দুষিত পদার্থর  আবর্জনা বের করে এনে এই নাট্য উকর্ষ কেন্দ্র লাগোয়া পাড়ার বসতির বাইরে নিয়ে এসে ফেলা হচ্ছে। যা কখনই উচিত কাজ নয়। তাদের অভিযোগ, এমনিতেই করোনা ছোয়াচে রোগ তার উপর যদি এই ভাবে সেই রোগের দুষিত জিনিস জনবসতির মধ্যে এনে ফেলা হয় তাতে এই  রোগ এলাকায় ছড়িয়ে পড়বার ভয় রয়েছে। সে কারনেই মঙ্গলবার পাড়া প্রতিবেশিরা একজোট হয়ে জেলা শাসক ও জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক আজ ওখানে গেলে তারা এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন, পাড়ার উপর এই দুষিত আবর্জনা জিনিস না ফেলার জন্য দাবি জানান। তাদের দাবি, জেলা শাসক তাদের দাবির প্রতি পুর্ন সমর্থন জানিয়ে অন্যত্র যাতে এই নোংরা ফেলা হয় তার ব্যবস্থ্যা করবেন বলে জানান।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জেলা শাসক ও স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিক আশ্বাস দিয়ে ফিরে যাওয়ার পর পুলিশ এসে পাড়া প্রতিবেশিদের উপর অশ্লীল ভাষায় দেখে নেওয়ার হুমকি দিতে থাকে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ। এই নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে স্থানীয় বাসিন্দার ক্ষোভে ফেটে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়।

যদিও খবর পেয়ে স্থানীয় ডাংগা অঞ্চলের গ্রাম সদস্য সুভাষ সরকার ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তার অভিযোগ কোয়ারাইন্টাইন সেন্টার আছে থাক কিন্তু তার নোংরা আবর্জনা কেন এই বসতি অঞ্চলের মধ্যে ফেলবে। নোংরা ফেলার তো জায়গা রয়েছে সেখানে ফেলুক।  আর পুলিশ যে ভাবে এসে এর জন্য পাড়া প্রতিবেশিদের হুমকি দিয়েছে তা মোটেও কাম্য নয় বলে তিনি জানান।