১৫০ ট্রেন এবং ৫০ স্টেশনকে বেসরকারিকরণের সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

1271

ওয়েব ডেস্ক, ১১ অক্টোবরঃ তেজস এক্সপ্রেসকে আগেই বেসরকারি সংস্থার হাতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এই ট্রেনের সূচনা করেছিলেন। লখনউ-দিল্লি রুটে এই ট্রেন চলছে। এবার আরও ১৫০ টি ট্রেন ও ৫০টি স্টেশনকে বেসরকারিকরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। এমনটাই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রক। রেলমন্ত্রী ও নীতি আয়োগের মুখ্য কার্যকরী আধিকারিক অমিতাভ কান্তর মধ্যে এই বিষয়ে আলোচনা হওয়ার পরে রেলমন্ত্রক এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রেলমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর অমিতাভ কান্ত রেলওয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যান ভিকি যাদবকে চিঠি লিখে একথা জানান। ঠিক হয়েছে, প্রথম স্তরে ১৫০টি ট্রেনের পরিচালনার দায়িত্ব বেসরকারি সংস্থাকে দেওয়া হবে।

ওই চিঠিতে অমিতাভ কান্ত লেখেন, সম্প্রতি ৬টি বিমানবন্দরকে বেসরকারিকরণ করা হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে ওই ছয় বিমানবন্দরের পরিষেবা আগের তুলনায় অনেক ভাল হয়েছে। মানুষও খুশি হয়েছেন। এই ঘটনায় অনুপ্রাণিত হয়েই সরকার প্রথম পর্যায়ে ১৫০ ট্রেন এবং ৫০ স্টেশনকে বেসরকারি সংস্থার হাতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রেল পরিষেবা আরও উন্নত ও সুসংহত করতে যাত্রীবাহী ট্রেন পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকার বড় মাপের কিছু সংস্কার করবে। এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার এবং উপযুক্ত সুপারিশ করার জন্য একটি হাই প্রোফাইল গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে।

এখনও পর্যন্ত একটি ট্রেনেই বেসরকারিকরণ হয়েছে। সেটি তেজস এক্সপ্রেস। এটিই দেশের প্রথম বেসরকারি ট্রেন। দিল্লি ও লখনউয়ের মধ্যে যাতায়াত করে এই ট্রেন। এই ট্রেনের গন্তব্যে পৌঁছতে দেরি হলে যাত্রীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। ১ ঘণ্টার বেশি দেরি হলে ১০০ টাকা ও দু’ঘণ্টার বেশি দেরি হলে ২৫০ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। কেবল তাই নয়, এরই সঙ্গে ট্রেনের যাত্রীদের ২৫ লক্ষ টাকার বিমাও দেওয়া হয়। এছাড়াও যাত্রাকালীন লুটপাট হলে বা চুরি হলে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। আইআরসিটিসির তরফে একথা জানানো হয়েছে।