দেখা নেই কাউন্সিলারের,পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হবার অভিযোগ কোচবিহার ২০ নং ওয়ার্ডের নাগরিকদের

370

 কোচবিহার,২৪ ডিসেম্বরঃ সামনেই পৌরসভা নির্বাচন, এরই মধ্যে বিভিন্ন সমস্যায় ধুকছে কোচবিহার শহরের ২০ নং ওয়ার্ডের খালাসিপট্টি এলাকা।ওই এলাকার জল সমস্যা তো রয়েইছে পাশাপাশি পথঘাট ও পথবাতির অভাবে ওই এলাকার নাগরিকেরা যন্ত্রনার মধ্যে রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার এলাকার কাউন্সিলারকে জানানো সত্বেও কোনও কাজ হচ্ছে না ওই ওয়ার্ডে। এলাকার নিকাশি ব্যবস্থা নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে সাধারন মানুষের। এলাকার রাস্তার পাশে পড়ে রয়েছে আবর্জনার স্তুপ। যার দরুন এলাকায় তৈরি হচ্ছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। এই অবস্থায় এলাকার স্থানীয়রা কি করবে তা বুঝে উঠতে পারছে না।এই পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।তাদের দাবী, অবিলম্বে এই পরিস্থিতির সুষ্ঠু সমাধান করতে হবে।

এনিয়ে কোচবিহার জেলা কংগ্রেসের তপশিলি সেলের চেয়ারম্যান মহেন্দ্র থাপা বলেন, এই ওয়ার্ডটি দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন সমস্যায় ধুকছে। এখানকার নিকাশি নালা দীর্ঘদিন ধরে নোংরা হয়ে পড়ে রয়েছে কিন্তু কেউ পরিষ্কার করা হচ্ছে না। আর সেই কারনে এলাকাবাসী ডেঙ্গুর আশঙ্কা করছে। তিনি আরও বলেন, শুধু ড্রেন অপরিচ্ছন্নই নয়, এখানকার পানীয়জলের অবস্থাও খুব খারাপ। যা পানের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, কাউন্সিলারকে বারবার জানানো সত্বেও তিনি কোনও ব্যবস্থা নেননি। এলাকার নাগরিক রানা চন্দ, সাধন দাসেরা অভিযোগ করে বলেন,  পৌরসভা নির্বাচনে জয়লাভের পর কাউন্সিলারকে আর এই এলাকায় সেভাবে দেখাও যাননি।পাশাপাশি এলাকায় পথবাতি জ্বলছে না, বিকেল গড়িয়ে অন্ধকার নামলেই এলাকা ঢেকে যায়।রাস্তার পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যেন কোনও সময় বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলেও আশঙ্কা করেছেন এলাকার নাগরিকরা।

এবিষয়ে ওয়ার্ড কাউন্সিলার গীতা উপাধ্যায় বলেন, স্থানীয়রা আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনছেন তা সত্য নয়।দীর্ঘদিন থেকে এলাকার উন্নয়নের কাজ আমাকে করতে দেওয়া হচ্ছে না।সমস্ত কাজের দেখভাল করেন পৌরসভার চেয়ারম্যান নিজেই।তাই এব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারব না। 

এদিকে কোচবিহার শহরের নাগরিক পরিষেবার ক্ষেত্রে কিছুটা যে ঘাটতি রয়েছে তা স্বীকার করে নিয়েছেন কোচবিহার পৌরসভার চেয়ারম্যান ভূষণ সিং। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক কারনে কিছু কাজ করা যায়নি।তবে খুব শীঘ্রই ২০ নং ওয়ার্ড সহ শহরের সর্বত্রই উন্নয়নের কাজ শুরু হবে।