দীপঙ্করের মৃত্যু রহস্যজনক, পক্ষপাতিত্বহীন তদন্তের দাবি জেলা বিজেপির

1094

কোচবিহার, ৪ অক্টোবরঃ দীপঙ্করের মৃত্যুর ঘটনায় সঠিক ও পুর্নাঙ্গ তদন্তের দাবিতে সরব হল জেলা বিজেপি। আর সেই দাবীর ভিত্তিতে আন্দোলনে আন্দোলনের পথে পা বাড়াল বিজেপি নেতৃত্ব।

দীর্ঘদিন শিলিগুড়ির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর রবিবার রাতে বিজেপি যুব সভাপতি তথা জমি আন্দোলনের অন্যতম নেতা দীপঙ্কর দেবের মৃত্যু হয়। সেই রাতেই ওই যুব নেতার মরদেহ কোচবিহারে পৌঁছনোর পর ক্ষোভে কান্নায় ফেটে পড়েন বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা। তাঁর মৃত্যু সত্যিই কি কোনও  দুর্ঘটনা না তাকে জমি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবার জন্য খুন করা হল তা নিয়ে সঠিক পক্ষপাতিত্বহীন তদন্তের দাবি তোলে জেলা বিজেপি।

দীপঙ্করের মৃত্যু প্রসঙ্গে কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামানিক বলেন, “তার ওপর আক্রমণ হতে পারে বলে সে পুলিশের কাছে আগেই একটি অভিযোগ দায়ের করেছিল।দীপঙ্করের মৃত্যুর ঘটনায় দোষীদের খুঁজে বের করার দাবি তুলেছি আমরা। আমরা জেলা বিজেপি তাঁর পরিবারের পাশে রয়েছি বলেও জানান তিনি।”

প্রসঙ্গত, কোচবিহার খাগড়াবাড়ি এলাকায় জমি আন্দোলনের অন্যতম নেতা তথা বিজেপির যুব মোর্চার সক্রিয় নেতা ছিলেন দীপঙ্কর দেব। জানা গেছে, দুর্গাপূজার অষ্টমীর রাতে কোচবিহার ২ ব্লকের পুন্ডিবাড়ি এলাকায় পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয় সে। এরপর তাঁকে ভর্তি করা হয় কোচবিহারের একটি বেসরকারি নাসিংহোমে। সেখানে দীর্ঘদিন ভর্তি থাকার কিছুদিন আগে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। এরপরই তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই গতকাল গভীর রাতে মৃত্যু হয় দীপঙ্করের ।

গতকাল রাতে দীপঙ্করের নিথরদেহ কোচবিহারের আসার পর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় জেলা বিজেপি কার্যালয়ে। সেখানে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাবার জন্য উপস্থিত ছিলেন বিজেপি জেলা সভানেত্রী মালতি রাভা, সাংসদ নিশীথ প্রামানিক সহ জেলা বিজেপির অন্যান্য নেতৃত্বরা।  এদিন সেখান থেকে প্রতিবাদ জানানো হয় কোচবিহারের খাগড়াবাড়ি এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা সজল সরকার ,সুবল সরকারের নামে।বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, খাগড়াবাড়ির জমি আন্দোলনে নেতৃত্ব জুগিয়েছিল আমাদের এই কর্মী। আমাদের দাবি, অবিলম্বে যদি দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা না করা হয় তবে আগামী দিনে বিজেপি বৃহত্তর আন্দোলনে পথে নামতে বাধ্য হবে। যদিও এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত শাসক দলের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।