ভেটাগুড়িতে গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িতে আক্রমণের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

17

দিনহাটা ২১ সেপ্টেম্বরঃ রাজনৈতিক হিংসায় ফের উত্তপ্ত দিনহাটা। এই মহকুমার ভেটাগুড়িতে লাগাতার হিংসা অব্যাহত। এলাকার রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও তৃণমূলের সংঘাত শুরু হয়েছে গোটা জেলাতেই । এই সংঘাত বিশেষ মাত্রা পেয়েছে কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ নিশিথ প্রামাণিকের খাস তালুক ভেটাগুড়িতে। এই ভেটাগুড়ি এলাকার বিভিন্ন স্থানে বোমা গুলির লড়াই এখন প্রতিদিনের ঘটনা। সম্প্রতি এই এলাকায় তৃনমূল তাঁদের হারানো জমিকে ফিরে পেতে শুরু করেছে জোর লড়াই। বিজেপিও নানা কৌশলে নিজেদের ক্ষমতাকে ধরে রাখতে চাইছে। এই পরিস্থিতিতে এখন গ্রাম দখলের লড়াইয়ে সংঘাত অনিবার্য হয়ে উঠেছে।

জানা গেছে শুক্রবার গভীর রাতে স্থানীয় পঞ্চায়ত প্রধানের বাড়িতে হামলা করে  একদল দুষ্কৃতি। অভিযোগ ভেটাগুড়ি ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতর প্রধান রতন বর্মণের বাড়িতে হামলা চালানো হয় এবং ওই বাড়িতে বোমাবাজিও করে আক্রমণকারীরা। তৃনমূল আশ্রিত সমাজ বিরোধীরাই এ কাজ করেছে বলেই অভিযোগ স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের। যদিও এধরনের অভিযোগকে অস্বীকার করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। এ বিষয়ে তৃণমূল নেতা মন্তেস্বর রায় বলেন, লোকসভার নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই গোটা জেলা জুড়ে বিজেপি সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করেছে। কিন্তু সেই সন্ত্রাসকে উপেক্ষা করে মানুষ ফের তৃণমূলের ছাতার তলায় আসতেই বিজেপি আবার আক্রমণ শুরু করেছে। এদিনের এ ঘটনা বিজেপির গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব বলে মন্তব্য করেন তিনি। এটা নব্য ও পুরাতন বিজেপির গোলমালের জের এর সাথে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। অন্যদিকে বিজেপি নেতা হারাধন বর্মণ বলেন, তৃণমূল পায়ের তলার মাটি হারিয়ে সন্ত্রাসের পথ বেঁছে নিয়েছে। তাঁরা জোর করে গ্রাম পঞ্চায়েতদের ক্ষমতা দখল করতে চায়। রীতিমতো ছক করে আমাদের প্রধানের বাড়িতে হামলা করা হয়েছে। যদিও আমরা তৃণমূলের ভয়ে ভীত নই কারণ মানুষ আমাদের সঙ্গে আছে।