তৈরি হওয়া অঙ্গনওয়ারী কেন্দ্র চালু না হওয়ায় ক্ষোভ এলাকাবাসীর

86

বিদ্যুৎ কান্তি বর্মন,ঘোকসাডাঙ্গাঃ এলাকায় দু’বছর আগে অঙ্গনওয়ারী কেন্দ্র তৈরি হলেও এখনও চালু না হওযায় ক্ষোভ স্থানীয় বাসিন্দাদের। মাথাভাঙ্গা ২ নং ব্লকের বড়শৌলমারি অঞ্চলের ওল্ডজিপি সিঙ্গিজনি অঙ্গনওয়ারী কেন্দ্র ২০১৭-১৮ সালে তৈরি হলেও এখনো তা চালু হয়নি বলে ক্ষোভ বাড়ছে এলাকাবাসীর। জানা যায় ২০১৭ সালে স্থানীয় বাসিন্দা অশ্রুজিৎ বর্মনের জমিতে অঙ্গনওয়ারী কেন্দ্র-০৩১৭ নম্বরের নব নির্মিত ঘর তৈরি কাজ শুরু হয়। এই কাজটি ২০১৮সালে পুরোপুরি ভাবে তৈরী হলেও, এখনো পর্যন্ত তা চালু হয়নি বলে এলাকাবাসীদের অভিযোগ।

এবিষয়ে মাথাভাঙ্গা সিডিপিও নীল রতন হালদার বলেন, এই নির্মাণের কাজটি নিম্নমানের হওয়ায় তা চালু করা সম্ভব হয়নি। খুব দ্রুত যাতে এই অঙ্গনওয়ারী কেন্দ্রটি চালু করার বিষয়ে উচ্চ পর্যায় কথা বলব।

এদিকে ভূমি দাতা অশ্রুজিত বর্মন অভিযোগ করে বলেন, এই অঙ্গনওয়ারী কেন্দ্রটি আমার জমিতে গড়ে উঠেছে। এই জমি অধিগ্রহণের সময় তার স্ত্রীকে চাকরি দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে বলে দাবী করেন তিনি। এই কথার পরিপ্রেক্ষিতেই আমি জমি দিতে রাজি হই বলে জানান অশ্রু বাবু। যদিও এখনও সেই চাকরি হয় নি। অশ্রু বাবু ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, যদি আমার স্ত্রীকে চাকরি নাই দেওয়া হয়, তবে এ সমস্ত সরকারি ঘর সরকারি জমিতে তৈরি করা দরকার ছিল। আমি খেটে খাওয়া মানুষ, তাছাড়া আজকাল কিছু পেতে গেলে কিছু দিতে হয়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমি জমি দেই। আমার স্ত্রীর চাকরি করে দিলে আমি জমি ছেড়ে দেবো।

তৃণমূলের যুব নেতা ধনিরাম বর্মণ বলেন, চাকরি দেওয়া এরকম বিষয় অভিযোগ করা একেবারেই ভিত্তিহীন এ বিষয়ে আমার কোনকিছু জানা নেই, তবে এটুকু বলতে পারি তার একটি গর্তের মত জমি ভরাট করা হয় যার পরিপ্রেক্ষিতে এই জমিটি তিনি দান করেন।

মাথাভাঙ্গা সিডিপিও নীল রতন হালদার বলেন, কে বা কারা জমিদাতা কে ভুল বুঝিয়ে এরকম কথা বলাচ্ছেন,সে বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। আমি নিজে পর্যবেক্ষণ করে সমস্ত বিষয়টি বিডিও সাহেবকে জানিয়েছি।

মাথাভাঙ্গা ২ নং ব্লকের বিডিও রজত রঞ্জন দাস বলেন, গোটা বিষয়ে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।