বড়দিনের উৎসবের মেজাজে কোচবিহারের মানুষ

72

কোচবিহার, ২৫ ডিসেম্বরঃ যথাযোগ্য মর্যাদায় কোচবিহারেও পালিত হল বড়দিন। এদিন খ্রীস্টধর্মে বিশ্বাসী মানুষেরা বাদেও বিভিন্ন ধর্মের মানুষেরা বড়দিনের উৎসবে সামিল হয়। বিভিন্ন গীর্জা চলে বিশেষ আরধনা। কোচবিহার বাবুরহাট সংলগ্ন গীর্জায় সকাল থেকেই মানুষের ঢল নামে। নিউ কোচবিহার সংলগ্ন গীর্জা, শহরের সুনীতি রোডের গির্জাতেও সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।এখানে ভক্তের দল মোমবাতি জ্বালিয়ে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করে।

ভৌগলিক নিয়ম অনুযায়ী এদিন থেকেই দিন ক্রমশ বড় হতে থাকে। শীতের মরশুমের এইদিন থেকেই কার্যত শুরু হয় পিকনিকের আয়োজন। আসলে বাংলার এই সময়ে পৌষ মাসও বটে। বাংলার রীতি অনুযায়ী পৌষ মাসের চোরুই ভাতি করার রেওয়াজ রয়েছে। কোচবিহার শালবাগানে বুধবার ছিল পিকনিকে জমজমাট। এদিন দোকান গুলিতে কেক বিক্রির ধুম লাগে। বহু মানুষ লাইন দিয়েও কেক কিনতে দেখা যায়। বাজারে দেদার বিকোয়ে ক্রিস্টমাস ট্রি, সান্তা টুপি ও বিভিন্ন গিফট।

অন্যদিকে এদিন সান্তাক্লস সেজে বিভিন্ন সচেতনতার বার্তা নিয়ে পথ পরিক্রমা করে বস্ত্র ব্যবসায়ী উত্তম কুণ্ডু । তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে ডাঃ বি.পি রায় সান্তা সেজে রোগী দেখেন। হাসপাতাল চত্বরের পাশাপাশি এদিন তিনি অন্যত্র বিনামূল্যে অসুস্থ মানুষের চিকিৎসা করেন। মেখলিগঞ্জ শহরেও সান্তা সেজে ঘুরে বেড়ান ভোম্বল দাদু হিমাংশু বোস। এদিন পার্ক গুলিতেও ছিল উপচে পরা ভিড়। শিশুরাও খেলেছে মনের আনন্দে। মানুষ ছিল উৎসবের মেজাজে।

বড়দিনের আনন্দে সামিল হয়ে কোচবিহারে বিভিন্ন গীর্জা ঘুরে দেখেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। এনইএলসি গির্জায় প্রার্থনা করেন মন্ত্রী। জেলার বিভিন্ন স্থানে এদিন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন হয়।