খেলার মাঠেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন খেলোয়ার

148

ওয়েব ডেস্ক, ৩০ ডিসেম্বরঃ খেলার মাঠে আবার ঘটল মূত্যুর ঘটনা৷এবার খেলতে খেলতে মাঠেই মারা গেলেন কলকাতার তিন প্রধানে দীর্ঘদিন খেলে যাওয়া ডিফেন্ডার রাধাকৃষ্ণন ধনরাজন।রবিবার রাতে কেরলের পেরিন্দালমান্নাতে স্থানীয় এক সেভেন-এ-সাইড ফুটবল ম্যাচে খেলতে নেমেছিলেন ধনরাজন৷ খেলার মাঝেই বুকে ব্যথা অনুভব করেন এবং মাঠেই লুটিয়ে পড়েন তিনি৷তড়িঘড়ি দু’দলের কোচ–কর্তা–ফুটবলাররা ছুটে আসেন।তাঁকে মাঠ থেকে সরাসরি নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। কিন্তু, চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

এই দুর্ঘটনায় কেরল ফুটবলে শোকের ছায়া। ধনরাজনের বন্ধু আনন্দ ক্রিস ফোনে বলেন, ‘কী করে যে এমনটা হল বুঝতে পারছি না। বিশ্বাস হচ্ছে না আমাদের।এ দিন টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচটা জিতেছিল ওর দল। পরের ম্যাচ চলার সময়ে হঠাৎই মাটিতে শুয়ে পড়ে।তারপরই যে সব শেষ হয়ে যাবে, ভাবিনি। বড় মনের মানুষ ছিল।’

২০০৮ সালে ইউনাইটেড কর্তা নবাব ভট্টাচার্যের হাত ধরে কলকাতায় ময়দানে পা রাখা ধনরাজনের। কলকাতা ময়দান চিনত ‘ধনা’ নামে।কান্নুরে ম্যাচ দেখে ধনা এবং ডেনসন দেবদাসকে তৎকালীন চিরাগ ইউনাইটেডে  নিয়ে এসেছিলেন নবাব।দু’বছর চিরাগে খেলার পর ২০১০ সালে মোহনবাগানে সই করেন তিনি। তার আগে ডেনসন যান বাগানে।

মোহনবাগানের পর মহমেডানে যোগ দেন ধনা। ইস্টবেঙ্গলেও খেলেছেন।খুবই ঠান্ডা মাথার ফুটবলার ছিলেন। যে দলেই খেলেছেন, রক্ষণে ভরসা দিয়েছেন। ইউনাইটেড কর্তা ‍নবাব বলেন, ‘কয়েকদিন আগেও ফোনে ওঁর সঙ্গে কথা হয়েছে।বলল, কেরল প্রিমিয়ার লিগে সই করেছে।পরেরবার ইউনাইটেডের হয়ে খেলবে। খুব ভাল মনের মানুষ ছিল।কোনওদিন মাথা গরম করতে দেখিনি।খবরটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে।’ কেরলের আরেক ফুটবলার, এটিকে–র জবি জাস্টিন বলেন, ‘খবরটা প্রথমে শুনে চমকে উঠি। এই মৃত্যুর খবর কেরলের ফুটবলের জন্য বড় ধাক্কা।’