ব্র্যান্ডেড ফকির,দেড় লাখি চশমা পরে কটাক্ষের শিকার প্রধানমন্ত্রী

275

ওয়েব ডেস্ক, ২৭ ডিসেম্বরঃ তিনঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করেও সূর্য গ্রহন চখূষ করতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই আক্ষেপের কথা তিনি টুইট করে জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে তিনি পোস্ট করেছেন ছবি। আর সেই ছবি নিয়ে হইচই শুরু হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। নেটিজেনদের ভাষায় জাকে বলে মিম।

 দিল্লিতে বসে আকাশের দিকে চোখ রেখেছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চোখে ছিল দামি ব্র্যান্ডেড চশমা। কিন্তু তাঁরও দৃষ্টি ঢেকে দিল ঘন মেঘ আর কুয়াশা। তাই সূর্য গ্রহন নিজ চোখে দেখতে পেলেন না তিনি। তবে দেখলেন না বললে ভুল দেখলেন, লাইভ স্ট্রিমিংয়ে। কেরলের কোঝিকোড় থেকে ক্যামেরার চোখ দিয়ে সূর্যগ্রহণের কিছুটা অংশ দেখে দুধের স্বাদ ঘোলে মিটিয়ে নিলেন।

প্রধানমন্ত্রী টুইট করেন, ”সমস্ত ভারতবাসীর মতো আমিও সূর্যগ্রহণ দেখতে ভীষণ উৎসাহী ছিলাম। দুর্ভাগ্যবশত আমি সূর্যগ্রহণ সরাসরি দেখতে পেলাম না, মেঘে ঢাকা ছিল আকাশ। তবে এর কিছুটা অংশ আমি কোঝিকোড় থেকে লাইভ স্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে দেখেছি। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে আমার সীমিত জ্ঞানও একটু বাড়ল।”

প্রধানমন্ত্রী যে ছবিটি টুইটারে শেয়ার করেছিলেন, তাতে তাঁর চোখে ছিল চশমা। কানাঘুষো, এই চশমার দাম প্রায় ১.৬ লক্ষ টাকা। আর এই নিয়েও কটাক্ষের শিকার হতে হয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। টুইটারে তো হ্যাশট্যাগই চালু হয়ে গিয়েছে‘ ব্র্যান্ডেড ফকির’ নামে।

কেউ কেউ তো প্রধানমন্ত্রীর বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের সময়কার ‘ব়্যাডার তত্ত্ব’ও তুলে এনেছেন। বলেছেন, মেঘলা আকাশের কারণে প্রধানমন্ত্রীর ব়্যাডার আটকে গিয়েছে। যার ফলে তাঁর সূর্যগ্রহণ দেখা হল না। নেটিজেনদের কেউ আবার মেঘকে ‘দেশদ্রোহী’ আখ্যা দিয়েছেন।

কেউ আবার বলেছেন, ব্যাংকের ১৬ লক্ষ গ্রাহকের দুর্দশা তিনি দেখতে পান না, সূর্যগ্রহণ দেখবেন কী করে। নেট দুনিয়া ভরে গেছে কটাক্ষ আর বিদ্রুপে। যদিও প্রধানমন্ত্রী এসব খুব একটা গায়ে মাখেননি। উলটে এইসব আলোচনা-সমালোচনাকে সাগ্রহে অভিবাদন জানিয়েছেন তিনি।