শিশুদের স্কুল যেতে না চাওয়ার সমস্যা সমাধানের উপায় জানুন

17

ওয়েব ডেস্কঃ স্কুল সবার জীবনে প্রথম ধাপ যেখানে বাইরের জগতের সাথে শিশুদের প্রথম পরিচয়।অনেক সময় শিশুদের স্কুল নিয়ে বিভিন্ন সমস্যা অভিভাবকরা  গুরুত্ব দেন না।  অভিভাবকদের শিশুদের স্কুল নিয়ে একটু সতর্ক হতে হবে। পরবর্তীতে স্কুল থেকে সন্তানের নামে কমপ্লেন এলে বাচ্চাকে মারধোর বা বকাঝকা করবেন না। আগে জানার চেষ্টা করুন ঘটনাটা ঠিক কী ঘটেছে। ছেলেমানুষ হলেও বাচ্চাদের ভাললাগা, ইচ্ছে-অনিচ্ছে, রাগ, বিরক্তির বোধ যথেষ্ট প্রখর। জোর করে সন্তানের উপর নিয়ম জারি করলে হিতে বিপরীত হবে। তাই কিছু বলার আগে ওর কথাটা মন দিয়ে শুনুন। যদি দেখেন সত্যিই আপনার সন্তানের দোষ আছে তাহলে ওর ভুলটা ওকে সহজ ভাষায় বুঝিয়ে দিন। পাশাপাশি ওর এই ধরনের ব্যবহারে যে আপনারা কষ্ট পান তা বোঝানোর চেষ্টা করুন। সন্তান একটু বড় হওয়ার পর স্কুলের ছোটখাটো সমস্যায় ওকেই সমাধান খুঁজতে বলুন। এতে ও সাবলম্বী হয়ে উঠবে। আপনি বন্ধুর মতো পাশে থাকুন। পরিবারের সাপোর্ট পেলে অনেক সমস্যাই সহজে কাটিয়ে ওঠা যায়।

 আজকাল বেশিরভাগ বাড়িতেই বাচ্চারা একমাত্র সন্তান। ফলে ভাইবোনদের সঙ্গে খেলনা বা খাবারদাবার ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ নেই। তবে বাড়িতে যখন অন্য কোনও বাচ্চা আসবে, খেয়াল রাখুন আপনার সন্তান যেন তার সঙ্গে নিজের খেলনা ভাগ করে নেয়। স্কুলে ভাল কোনও খাবার টিফিন দিলে একটু বেশি করে দিয়ে দিন। বলুন এটা ওর বন্ধুদের জন্য। ছোট থেকে শিশুদের মধ্যে এই ধরনের মূল্যবোধ গড়ে তুলতে পারলে দেখবেন অকারণ দুষ্টুমি করা, বন্ধুদের সঙ্গে মারধোর করা ইত্যাদির প্রবণতা অনেকটাই কমে আসবে।

 আমাদের জীবনের অনেকটা জায়গা জুড়ে থাকে। বাচ্চা যাতে ছোট থেকেই সকলের সঙ্গে মিশতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখুন। সন্তানের বন্ধুর বাবা মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন। ছোটখাটো গেট টুগেদারে বাচ্চাকে নিয়ে যান। এতে ওর অন্যদের সঙ্গে মেলামেশা করা অনেক সহজ হবে।বন্ধু

স্কুলে কোনও সমস্যা হলে সন্তানকে কাছে ডেকে নিয়ে কথা বলুন।

 স্কুলের টিচারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন। পড়াশোনার বাইরেরও সন্তানের স্বভাব, বন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশা এইসব দিকগুলো সম্পর্কেও প্রশ্ন করুন। সম্তান যদি স্কুলে যেতে না চায়, কান্নাকাটি করে বা ভয় পায় তাহলে নিজে স্কুলে গিয়ে টিচারদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বোঝার চেষ্টা করুন কী সমস্যা হচ্ছে।