পড়ুয়াদের সঙ্গে কর্মীদের বচসা, উত্তেজনা বিশ্বভারতীতে

50

বোলপুর, ১৯ অক্টোবরঃ বিশ্বভারতীর উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করতে আসে বিশ্বভারতীর পড়ুয়ারা। তারা দপ্তরের ভিতরে প্রবেশ করতে চাইলে সেখানে ঢুকতে বাধা দেয় বিশ্বভারতীর কর্মীরা। তার ফলে বচসা বেধে যায় পড়ুয়াদের সঙ্গে কর্মীদের। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আজ শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতীতে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

জানা গেছে, বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী সঙ্গে কর্মীসভার মতপার্থক্য রয়েছে অনেক আগে থেকেই। কর্মীদের অভিযোগ, ‘পে কমিশনের টাকা ঠিকমতো পাচ্ছি  না।’ সেই কারণে বিশ্বভারতীর কর্মীরা দীর্ঘদিন কর্মবিরতি পালনের কর্মসূচি গ্রহণ করেন। ফের আরোও একবার আজ দুপুরে উপাচার্যের দপ্তরের তালা লাগিয়ে বিক্ষোভে সামিল হলেন কর্মীসভা। উপাচার্যকে তার দপ্তরের ভিতরে আটকে রেখে দরজায় তালা মেরে দেন কর্মীরা।

তাদের অভিযোগ, বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিভিন্ন রকম অনৈতিক কাজ কর্ম করেছেন। তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গেলে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে দুইজন কর্মীকে অন্যত্র সরিয়ে দিয়েছেন। কর্মীদের দাবি,সরিয়ে দেওয়া ওই দুই কর্মীকে যতক্ষণ না তাদের পুনরায় নিজের জায়গায় ফিরিয়ে নিয়ে আসা হচ্ছে ততক্ষণ দপ্তরের তালা ঝুলবে বলে জানিয়েছেন কর্মীরা। এই বিক্ষোভ চলাকালীনই উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করতে আসে বিশ্বভারতীর পড়ুয়ারা। তারা দপ্তরের ভিতর প্রবেশ করতে চাইলে কর্মীরা তাদেরকে ঢুকতে বাধা দেয়। তার জেরে কর্মী ও পড়ুয়াদের মধ্যে বচসা বেধে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

এই ঘটনায় বিশ্বভারতীর পিআরও অনির্বাণ সরকারের দাবি, “বিক্ষোভ দেখানোর জন্য তাদেরকে ট্রান্সপার করা হয়নি। এটা একটা রুটিন টান্সফার, সমস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ট্রান্সফার করা হয়। ইউনিভার্সিটির প্রয়োজনে ম্যানেজমেন্ট যদি মনে করে তাহলে টান্সফার করা হয়। যে গুন্ডাগিরি বিশ্বভারতীতে করা হয়েছে তা লজ্জাজনক, এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি আমরা। আর এটা একটা রুটিন ট্রান্সফার। পরবর্তী ক্ষেত্রে এরকম ট্রান্সফার আরও হবে। ট্রান্সফার না হলে কাজ স্তব্ধ হয়ে যাবে।”