সিবিআই অফিসের বাইরে মমতা-মলয়ের প্রতিবাদ নিয়ে মামলা গ্রহণ করবে না  সুপ্রিম কোর্ট

110

ওয়েব ডেস্ক, ৭ জুলাইঃ গত মে মাসে নারদকাণ্ডে রাজ্যের ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। তা নিয়ে তুঙ্গে উঠেছিল টানাপোড়েন। কিছুক্ষণ পরই নিজাম প্যালেসে সিবিআইয়ের দফতরে পৌঁছে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। নিজাম প্যালেসে এসেই সোজা দুর্নীতিদমন শাখার ১৫ তলার অফিসে চলে গিয়েছিলেন। সেখানে প্রায় ছ’ঘণ্টা বসেছিলেন। এক আইনজীবী বলেছিলেন, ‘মমতা সিবিআইকে বলেছেন আমায় গ্রেফতার করা হোক।’ পরে বিকেল পাঁচটা নাগাদ নিজাম প্যালেস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় মমতা বলেছিলেন, ‘আদালত নিজের সিদ্ধান্ত জানাবে।’

মুখ্যমন্ত্রীর সেই প্রতিবাদকে কলকাতা হাইকোর্টে আইনি কৌশল হিসেবে ব্যবহার করেছিল সিবিআই। ফিরহাদদের জামিন আটকাতে সিবিআইয়ের আইনজীবী তুষার মেহতা বলেছিলেন, ‘অভিযুক্তদের প্রভাব দেখাতে সেইসব কাজ করা হয়েছে। বার্তাটা ছিল, দেখুন, অভিযুক্তদের জন্য ধরনায় বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী। যদি হাইকোর্টের এই রায় খারিজ করে দেওয়া হয়, তাহলে বিচার ব্যবস্থাকে ব্যর্থ করতে যে পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তা সফল হবে।’ পালটা ফিরহাদদের আইনজীবী দাবি করেছিলেন, ‘সতীর্থ মন্ত্রী, বিধায়করা প্রতিবাদ জানিয়েছেন। কিন্তু সিবিআইকে কোনওরকমভাবে বাধা দেওয়া হয়নি। প্রতিবাদের বিষয়টি স্রেফ ছুতো হিসেবে ব্যবহার করছে সিবিআই।’ ফিরহাদদের গ্রেফতারির দিন ব্যাঙ্কশাল কোর্ট চত্বরে আইনমন্ত্রীর উপস্থিতির কৌশল কাজে লাগিয়ে জামিনের বিরোধিতা করেছিল সিবিআই। যদিও অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সওয়াল করেছিলেন, আদালত কক্ষের ভিতরে ছিলেন না আইনমন্ত্রী। শুধুমাত্র আদালত চত্বরে ছিলেন।