কোচবিহারে বিজেপি কর্মীকে ছুরি মারার অভিযোগ তৃনমূলের বিরুদ্ধে

123

কোচবিহার, ১৬ সেপ্টেম্বরঃ বিজেপির মিছিলে অংশ নেওয়ার জন্য এক বিজেপি কর্মীকে চাকু মারার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার ১নং ব্লকের ৪নং বাজার সংলগ্ন পাকুড়তলা এলাকায়। ওই ঘটনায় গুরুতর আহত হয় ওই বিজেপি কর্মী। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কোচবিহার সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভরতি করা হয়। ওই ঘটনার পর পরিবারের পক্ষ থেকে কোচবিহার কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে পরিবার সুত্রে জানা যায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ সুত্রে জানা যায়,আক্রান্ত ওই যুবকের নাম জিন্নাদুল রহমান(২৩)। সে এলাকায় বিজেপি কর্মী বলে পরিচিত। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, আজ রাতে পাকুড়তলা বাজারের আমনে তৃনমূলের কিছু কর্মী সমর্থক সামনে তাকে লোহার রড ও চাকু নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। স্থানীয় লকজন তাকে উদ্ধার করে কোচবিহার সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভরতি করে।

হাসপাতালের বেডে শুয়ে আক্রান্ত বিজেপি কর্মী জিন্নাদুল রহমান বলেন, আমি আগে তৃনমূল কংগ্রেস করতাম। ওই সময় তৃনমূল আমাদেরকে শুধু মারামারিতে ব্যবহার করত। তারপর আমি তৃনমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করি। গতকাল বিজেপির মিছিলে যোগদান করি। তৃনমূলের কর্মীরা দেখেছিল। তাই আজ যখন আমি পাকুড় তলায় যাচ্ছিলাম সেই সময় তৃনমূলের গুন্ডা বাহিনি আমাকে লোহার রড ও চাকু দিয়ে কোপ মারে। আমাকে প্রানে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। কপালের জোড়ে আজ আমি বেঁচে যায় বলে দাবি তার।

যদিও ওই অভিযোগ অস্বীকার করেন তৃনমূল নেতা আশরাফুল আলি। তিনি বলেন, ওটা বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। নব্যগোষ্ঠী ও আদিগোষ্ঠী মধ্যে মারামারি হয় বলে জানতে পেরেছি। পানিশালা অঞ্চলের এখন পর্যন্ত তৃনমূল কোন ঝামলার মধ্যে যায় নি। তৃনমূল সব সময় চায় এলাকা শান্ত রাখতে। কিন্তু বিজেপির কিছু দুষ্কৃতি তারা এলাকায় অশান্ত করার চেষ্টা করছে। নিজেদের মধ্যে মারামারি করে প্রচারের আলোয় আসার চেষ্টা করছে বিজেপি।