তৃনমূলের অঞ্চল সভাপতিকে গুলি করে খুন, অভিযোগের তির বিজেপির দিকে

36

মুর্শিদাবাদ, ১০ সেপ্টেম্বরঃ একেবারে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে পরপর ছ’টি গুলি করে খুন করা হল মুর্শিদাবাদের নওদায় তৃণমূল অঞ্চল সভাপতিকে। ওই ঘটনায় নওদার বালি গ্রাম পঞ্চায়েতে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় নামে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি নিমাই মণ্ডলের। জানা গেছে, সেইসময়ে দলীয় কার্যালয়ে বসেছিলেন নিমাইবাবু। দুষ্কৃতীরা পার্টি অফিসে ঢুকে পরপর গুলি চালায় অঞ্চল সভাপতিকে লক্ষ্য করে। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন তৃণমূল নেতা। ঘটনায় বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছে শাসকদল। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বকেই কাঠগড়ায় তুলেছে বিজেপি। মঙ্গলবার সকালেও সেখানে উত্তেজনা রয়েছে।

স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যেবেলায় যখন পেশায় স্কুল শিক্ষক, নওদা থানার বালি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি নিমাই মণ্ডল পার্টি অফিসে বসে কর্মীদের সঙ্গে মিটিং করছিলেন, তখন পার্টি অফিসে চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। পার্টি অফিস লক্ষ্য করে বোমাবাজি শুরু হয়। বোমাবাজিতে ভয় পেয়ে অন্যান্য দলীয় কর্মীরা সেখান থেকে পালাতে শুরু করেন। হাতের নাগালে পেয়ে নিমাই মণ্ডলকে পেয়ে তখনই দুষ্কৃতীরা তাঁকে লক্ষ্য করে পরপর ছটি গুলি করে।। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি। তারপরেই দুষ্কৃতীরা বাইকে করে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। গুলির আওয়াজ শুনে ছুটে আসেন স্থানীয় তৃণমূল কর্মী ও বাসিন্দারা।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় নিমাইবাবুকে আমতলা গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে তাঁকে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে যান মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের সভাপতি মোশারফ হোসেন ও মুর্শিদাবাদের সাংসদ আবু তাহের খান।

মোশারফ হোসেন জানিয়েছেন, নিমাই মাস্টার ওই এলাকার ভাল লোক ছিলেন। তাঁকে এলাকার সকল লোক ভালোবাসতেন। তাছাড়াও তিনি তৃনমূলের প্রভাবশালী নেতা ছিলেন। তাই বিরোধীরা দুস্কৃতী দিয়ে নৃশংসভাবে তাঁকে খুন করেছে। এই ঘটনায় বিরোধীদের দিকে আঙুল তুলেছেন জেলা তৃনমূল সভাপতি তথা মুর্শিদাবাদের সাংসদ আবু তাহের খানও৷