বিরোধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তৃনমুলের নতুন কোর কমিটি

157

বালুরঘাট ৭ আগস্টঃ দক্ষিন দিনাজপুর জেলা তৃনমুল কংগ্রেসের নতুন জেলা কমিটি গঠন করার পাশাপাশি দল বিরোধী কাজের জন্য দলের কয়েকজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আলোচনায় বসল জেলা তৃনমুলের নতুন কোর কমিটি।

শুক্রবার জেলার বালুরঘাট শহরের সার্কিট হাউসে তৃনমুল সুপ্রীমোর গড়ে দেওয়া নতুন জেলা কোর কমিটির বৈঠক বসে। দলের জেলা সভাপতি তথা গঙ্গা রামপুরের বিধায়ক গৌতম দাসের ডাকা এই বৈঠকে কোর কমিটির চেয়ারম্যান শংকর চক্রবর্তী ছাড়াও অপর দুই সদস্য সুভাষ চাকি ও ললিতা টিজ্ঞা উপস্থিত ছিলেন।

কোর কমিটির মেম্বারদের পাশাপাশি সভায় আমন্ত্রন মুলক ভাবে উপস্থিত ছিলেন জেলার অন্য দুই বিধায়ক বাচ্চু হাসদা ও তোরাফ হোসেন মন্ডল ছাড়াও বেশ কয়েকজন নেতৃত্ব। দুপুর ১২ টা থেকে টানা কয়েকঘন্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠক চলার পর লাঞ্চের বিরতির সময় জেলা সভাপতি গৌতম দাস অপেক্ষামান সাংবাদিকদের জানান তাদের বৈঠক এখনও শেষ হয় নি।সাময়িক বিরতির পর ফের বৈঠক বসবে।

তিনি জানান, মুলত তাদের আজকের বৈঠকে রাজ্য নেতৃত্বের বেধে দেওয়া নির্দেশ ও জেলার সাময়িক দলের পরিস্থিতি আলোচনার মধ্যমে নতুন জেলা কমিটি তৈরি করা হবে।  পুরোনো ও নতুন মিলিয়ে তাদের কার্যকারিতা বিচার করেই কমিটি গঠন করে তা রাজ্য কমিটির কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।  এরপর যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার তা রাজ্য কমিটি নেবে বলে গৌতম বাবু জানান।

পাশাপাশি তিনি এও জানান, দলে থেকে দল বিরোধী কাজের জন্য দলের বেশ কয়েকজনের নাম তাদের কাছে জমা পড়েছে। আজকের বৈঠকের শেষ দিকে তারা এই নিয়ে আলোচনার মধ্যমে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নেবেন এবং তা পরে জানিয়ে দেবেন। তিনি এটুকু বলেন দলকে জেলায় শক্তিশালী করে তুলতে তিনি সবাইকে নিয়ে চলতে চান।

এদিকে জানা যাচ্ছে দল বিরোধী কাজের অভিযোগে জেলায় অর্পিতা ঘনিষ্ট তিনজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চলেছে দল। জেলার রাজনৈতিক ওয়াকিবহালের মতে দলে ফের বিপ্লব মিত্র ফিরে আসায় এটা যে হবে তা সবার জানা ব্যাপার।  এখন দেখার বিপ্লব মিত্র দলে যোগ দেওয়ার পর নতুন জেলা কমিটিতে তার ঘনিষ্টদের কতখানী জায়গা হয়। কেননা অর্পিতাকে সরিয়ে তৃনমুল নেত্রী গৌতম দাস কে জেলা সভাপতি করার কয়েকদিনের মধ্যে গৌতম বাবু নতুন জেলা  কমিটি গড়ে তা অনুমোদনের জন্য রাজ্য কমিটির কাছে পাঠাতে না পাঠাতেই বিপ্লব মিত্র দলে ফের তার ভাইকে নিয়ে যোগ দেওয়াতে নেত্রীর নির্দেশে গৌতম দাসকে তার আগের জেলা কমিটি ছিড়ে ফেলে নতুন কমিটি গঠন করা ছাড়া আর ভিন্ন পথ নেই। এখন দেখার বিষয় নতুন জেলা কমিটি তে কে কে স্থান পান। তাহলেই বোঝা যাবে বিধানসভা ভোটের আগে দল ২০১১ সালের মত দৌড়ে চলবে না ২০১৬ মত খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলবে। এখন দলের সবাই সেদিকেই তাকিয়ে বলে জানা গেছে।