সুপারি নিয়ে দুই স্ত্রীর বিবাদ, অন্ডঃকোষ ছিড়ে মৃত স্বামী

1849

উৎপল রায়, ধুপগুড়িঃ সুপারি নিয়ে বিবাদের জেরে স্বামীর অন্ডঃকোষ ধরে ঝুললেন পড়ার অভিযোগ উঠল দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে।ঘটনাটি ঘটেছে ধূপগুড়ি ব্লকের খলাইগ্রাম এলাকায়। সেই ঘটনার জেরে মৃত্যু হয় স্বামীর। ঘটনার তদন্তে নেমেছে ধুপগুড়ি থানার পুলিশ।

অভিযোগ, মঙ্গলবার রাতে মৃত ওই ব্যক্তি সেকেন্দারের সাথে তার দ্বিতীয় স্ত্রী তসিরন খাতুন সুপারি খাওয়া নিয়ে বিবাদের সৃষ্টি হয়।এই বিবাদ চরম আকার নিলে ঘটে দুর্ঘটনা। তসিরন রাগে স্বামীর অন্ডকোষ ধরে ঝুলে পড়েন। মুহূর্তের মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েন সিকেন্দার। ক্রমশ তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ধূপগুড়ি গ্রামীন হাসপাতালে।

এরপর সেখান থেকে লজ্জ্বায় ছুটি নিয়ে বাড়ি চলে যান সিকেন্দার। বাড়িতে যাবার পর ফের বৃহস্পতিবার থেকে অসুস্থ হয়ে পড়ে ঐ ব্যক্তি। এরপর তাকে ফের জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসার জন্য। সেখানে শুক্রবার দুপুরে মৃত্যু হয় তাঁর।

এই ঘটনায় সিকেন্দারের প্রথম স্ত্রী মর্জিনা খাতুন খুনের অভিযোগ আনেন দ্বিতীয় স্ত্রী তসিরনের বিরুদ্ধে। তাঁর অভিযোগ, সিকেন্দারের সাথে দ্বিতীয় স্ত্রীর প্রায়শই বিবাদ চলত ছোটো ছোটো বিষয় নিয়ে । এদিন সুপারী নিয়ে ঘটনার সুত্রপাত।সেই সময় তসিরন সিকেন্দারের পুরুষাঙ্গের অন্ডকোষ ধরে ঝুলে পড়ে। সিকেন্দার সংঞ্জাহীন হয়ে পরে। এর আগেও তাঁকে বহুবার খুনের হুমকি দিয়েছিল দ্বিতীয় স্ত্রী তসিরন।  

সিকেন্দারের ভাই রেজাউল আলমের দাবি, অন্ডকোষ ধরে ঝুলে পড়াতেই অসুস্থ হয়ে পড়ে দাদা। এরপর বৃহস্পতিবার দাদা জলপাইগুড়ি চিকিৎসা করাতে যায়।সেখানে সঙ্গে যায় দাদার দ্বিতীয় স্ত্রী তসিরন।সেখানে শুক্রবার দুপুরেই মৃত্যু হয় তার।এরপর দেহ বাড়িতে নিয়ে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার স্থানীয়রা।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছায় ধূপগুড়ি থানার পুলিশ এবং দেহ ময়নাতদন্তের জন্য উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। পাশাপাশি ঐ অভিযুক্ত মহিলাকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসা হয় থানায়। পুলিসের সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার অভিযোগ জমা পড়েছে এবং সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে ।