রাজ্য সরকারের সহায়তা ছাড়া একাধিক খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ মেগা ফুড পার্ক করা সম্ভব না জানালেন কেন্দ্রীয় রাষ্ট্র মন্ত্রী রামেশ্বর

11

নরেশ ভকত, বাঁকুড়াঃ রাজ্য সরকারের সহায়তা ছাড়া এই প্রক্রিয়াকরণ শিল্প স্থাপন সম্ভব নয়। শুক্রবার বাঁকুড়ার রবীন্দ্রভবনে ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্সের একটি কর্মশালায় উপস্থিত হয়ে একথা বলেন কেন্দ্রের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী রামেশ্বর তেলি।

এ রাজ্যে দুটি মেগা ফুড পার্ক আছে। তৈরি হয়েছে ন’টি মিনি ফুড পার্ক। এরাজ্যে আরো অনেকগুলি মেগা খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের সম্ভাবনা আছে। এগিয়ে আসছে শিল্পপতিরাও। আমরা কেন্দ্রীয় সরকারের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ দফতর ওই শিল্প পতিদের যথা সম্ভব সহায়তা করার চেষ্টা করছি।কিন্তু এ ব্যাপারে এগিয়ে আসতে হবে রাজ্য সরকারকে।

মন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যেই এ রাজ্যের মৎস্য ব্যবসায়ীদের একাংশ মৎস্য প্রক্রিয়াকরন শিল্প স্থাপনের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। বাঁকুড়া জেলাতে যে বিপুল পরিমান আম উৎপাদন হয় তা দিয়েও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প স্থাপন সম্ভব।

বাংলায় এনআরসি লাগু করার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আসাম এনআরসি লাগু হয়েছে এবং সেটা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে। উনিশ লক্ষ নাম বাদ গেছে সেটা নিয়ে একটা আলোচনা করতে বলেছিলাম। কেন্দ্রীয় গৃহমন্ত্রী এবং অসমের মুখ্যমন্ত্রী আলোচনায় কোনোরকম সিদ্ধান্তে এখনো আসা যায়নি।

এ ব্যাপারে কোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কিন্তু আমি চাই বাংলায় এনআরসি হোক এবং গোটা ভারতবর্ষে এনআরসি হোক। কেন্দ্রীয় খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ রাষ্ট্রমন্ত্রী রাজ্য এসেছে। কিন্তু রাজ্য কিংবা জেলার তার দপ্তরের কেউ তার সঙ্গে দেখা করতে না আসায় মঞ্চেই ক্ষোভ উগরে দেন মন্ত্রী।