ভাইবোনের সম্পর্ককে মিষ্টি করতে তৈরি হয়েছে ‘ভাইফোঁটা সন্দেশ’

112

কোচবিহার, ২৯শে অক্টোবরঃ বাংলা খাদ্য তালিকাই মিষ্টি একটি অন্য মাত্রা যোগ করে। শেষপাতে মিষ্টি খওয়ার রেওয়াজ রয়েছে বাঙ্গালীদের মধ্যে। তাই বাংলার যে কোনও উৎসবে রসযুদ্ধ একটি বড় বিষয়। ‘গোল্লারে ভাই ছুটের দৌড়ে’ উড়িষ্যাকে হারিয়ে শেষ পর্যন্ত বাংলার জয় প্রমান করে রসনার তৃপ্তিতে মিষ্টির জুড়ি মেলা ভার। শেষপাতে মিষ্টি বঙ্গ সংস্কৃতির অন্যতম অঙ্গ। রসগোল্লা যে বাংলাতেই প্রথম সৃষ্টি হয়ছে তা প্রমান মেলায় জিআই তকমা এখন বাংলার।

ছানার ব্যবহারও যে বাংলাতে অনেক বেশী তা আর বলার অপেক্ষা রখে না। বাংলার যে কোন উৎসবে মিষ্টি অপরিহার্য। আর ভাই ফোঁটার মিষ্টির কোনও জুড়ি নেই। তাই সেই কথাকে মাথাই রেখে কোচবিহারে মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা তৈরি করে ফেলে ভাই ফোঁটার বিশেষ সন্দেশ। আর তা নাকি বিক্রি হয়েছে দেদার।

বাংলার যে কোন উৎসব কে সামনে রেখে তৈরি হয়ে থাকে বিশেষ মিষ্টি। শারদ ও দীপাবলির সময়কালে ‘দিদিকে বলো’র অনুকরণে তৈরি হয়ছিল ‘মাকে বলো’ সন্দেশ। ভাই ফোঁটা উপলক্ষে শুধু বিশেষ সন্দেশই নয় সাবেকি রসগোল্লা, কালজাম, কালাকান্দ, রসমালাই, চাহিদাও ছিল তুঙ্গে।

এইদিন শুধু শেষ পাতে মিষ্টি নয়, মিষ্টি দিয়েই শুরু হয় পাত। ভাই বোনের এই মিষ্টি সম্পর্ককে আরও মিষ্টির বন্ধনে জুড়তে, কোচবিহারে তৈরি হয়েছে ‘ভাইফোঁটা মিষ্টি’। এবার দীপাবলিতে ‘মাকে বল সন্দেশ’ তৈরি হয়েছিল। কালি পূজার সময় কালে যা বিকিয়ে ছিল দেদার।এরপরেই ভাইফোঁটার সন্দেশ ছেয়ে যায় বাজার।এইদিন মিষ্টির পাশাপাশি মাছ, মাংস সহ সবকিছুরই চাহিদা ছিল তুঙ্গে, বাজার ছিল চড়া।