কুটির শিল্পের উপর স্বনির্ভর করে হচ্ছে গ্রামের মহিলারা

89

তুষার কান্তি বিশ্বাস, উত্তর দিনাজপুর: কুটির শিল্পকে বাঁচিয়ে রেখেছেন মূলত গ্রামীণ এলাকার মহিলারাই। এখনো প্রাচীন প্রথায় বাঁশের ঝুড়ি বানিয়ে তা বিক্রি করেই চলছে অধিকাংশ পরিবার। স্বনির্ভর হচ্ছে তারা কারণ এই কাজে এগিয়ে এসেছেন মূলত মহিলারাই। বাঁশ কেটে দিনভর বাঁশ একের পর এক ঝুড়ি তৈরি করছেন এবং তা নিয়ে বিক্রি করতে চলে যাচ্ছেন নিকটবর্তী হাটে-বাজারে ইসলামপুর ব্লকের নিলাজী, জগতগাঁও সহ বিভিন্ন গ্রামগুলিতে গেলেই দেখা যাবে মহিলারা বাঁশ দিয়ে ঝুড়ি বানাচ্ছেন।

মূলত এই কুটির শিল্পকে কেন্দ্র করে বাঁশের ঝুড়ি বেশি পরিমাণে তৈরি হলেও তৈরি হচ্ছে চালন, ডালা, কুলো ইত্যাদি। বিভিন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে এলাকার মানুষজনের চাহিদা অনুযায়ী তৈরি হচ্ছে সেসব। বাঁশের ঝুড়ি তৈরি করতে করতে ইসলামপুর গ্রামের বাসিন্দা নিশিলা রায় জানান, বাঁশ কেটে একদিনে প্রায় পাঁচ থেকে ছয়টা ঝুড়ি তৈরি করা হয়। তিনি তা করেন এবং তা নিকটবর্তী হাটে বাজারে গিয়ে বিক্রি করে সেই অর্থ দিয়েই পরিবার চালান। পরিবারে বেশ কয়েকজন সদস্য রয়েছে। তাদের ভরণ-পোষণের বিষয়টি নির্ভর করে এই ঝুড়ি কেনাবেচার উপর বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ডিজিটাল ইণ্ডিয়ার এই সময়েও বাঁশ কিংবা বাঁশের ঝুড়ি গ্রামীণ এলাকার নিশিলা রায়ের মতন অনেক মহিলার পরিবারের সদস্যদেরকে বাঁচিয়ে রেখেছে। বাঁশের দাম বেড়ে যাওয়ায় সম্প্রতি বাঁশের তৈরি জিনিসের দাম ক্রমশ উর্ধমুখী। তাই একটি ঝুড়ি বাজারে আশি থেকে একশো টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সেখান থেকে যতটুকু আয় হচ্ছে তা দিয়েই চলছে পরিবার।