শীতে ত্বকের যত্নে গরম জল একেবারেই নয়, জানুন আর কি কি করবেন না…

144

ওয়েব ডেস্ক, ১৫ জানুয়ারিঃ  শীতকালের সব ভাল, শুধু এই সঙ্গে-সঙ্গে চলে আসা ত্বক আর চুলের সমস্যা ছাড়া! যতই ক্রিম-ময়শ্চারাইজ়ার মাখুন, ত্বক শুকিয়ে যাবেই। যাদের এমনিতেই ড্রাই স্কিন তাদের সমস্যা আরও বেশি।

১. শীতে স্নান করার সময় কী আর গরম জল না হলে চলে কিন্তু যখন-যখন সম্ভব, বিশেষ করে যখন শুধুই হাত বা মুখ ধোবেন, তখন খুব গরম জল না নিয়ে ঈষদুষ্ণ গরম জল ব্যবহার করুন। বেশি গরম জলে ত্বকের ন্যাচরাল অয়েল ধুয়ে বেরিয়ে যাবে।

২. বেশি ময়শ্চারাইজ়ার লাগাও, আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, মুখ ধোওয়ার ঠিক পরেই ময়শ্চারাইজ়ার লাগিয়ে নিন। অল্প ভিজে ত্বকে ময়শ্চারাইজ়ার লাগালে সেই আর্দ্রতা ত্বকে লক হয়ে যায়।

৩. সঠিক ময়শ্চারাইজ়ার বাছো। পেট্রোলিয়াম-বেস্‌ড প্রডাক্টের জায়গায় প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি প্রডাক্ট ব্যবহার করুন। ওয়াটার বেস‌্‌ড নয়, ব্যবহার করুন অয়েল-বেস্‌ড সলিউশন।

৪. শীতকালে আমরা অনেকসময়ই সানস্ক্রিন লাগাই না। শীতেও কিন্তু সকালে বাইরে বেরলে সানস্ক্রিন লাগানো ততটাই প্রয়োজন যতটা গরমকালে। ঠান্ডা হাওয়া, দূষণ থেকে ত্বককে বাঁচাতে স্কার্ফও ব্যবহার করতে পারেন।

৫. ড্রাই স্কিনের অন্যতম বড় কারণ, ডিহাইড্রেশন। শীতে এমনিতেই জল কম খাওয়া হয়। তার প্রভাবেই ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। তাই শীতেও নিয়ম করে জল খান।

৬. হাতের তালু, কনুই, গোড়ালি, হাঁটুর ত্বক শীতে আরও বেশি ড্রাই হয়ে ফেটে যায়। এই সমস্যা থাকলে রাতে ঘুমনোর আগে বেশি করে ময়শ্চারাইজ়ার লাগিয়ে নিন। ময়শ্চারাইজ়ার লাগানোর পর মোজা বা গ্লাভস পরে নিন।

৭. ক্লেনজার ভীষণভাবে ত্বক শুষ্ক করে দিতে পারে। গ্লাইকোলিক বা স্যালিসাইলিক অ্যাসিড-যুক্ত ক্লেনজ়ার ব্যবহার করলে, সেটা বদলে আরও হাইড্রেটিং বা ময়শ্চারাইজ়িং ক্লেনজ়ার ব্যবহার করুন।

৮. আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ স্টেপ, এক্সফোলিয়েশন। হাত, মুখ ও ঠোঁটেও এক্সফোলিয়েশন মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন।