১৫ দিনের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন রাজ্যপাল, উপাচার্যদের তলব রাজভবনে

164

ওয়েব ডেস্ক, ২৪ ডিসেম্বরঃ রাজ্যপাল ঢুকলে সমাবর্তন অনুষ্ঠান হবে না, বয়কট করা হবে তাকে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনকে কেন্দ্র করে কার্যত উপাচার্য সুরঞ্জাম দাসের সঙ্গে সংঘাতের আবহে রাজভবন। পাশাপাশি রাজ্য সরকারকে দুষে ধনকর জানালেন, রিমোর্ট কন্ট্রোলে চলছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুরঞ্জন দাস। তিনি যে উপাচার্যের এদিনের ভূমিকায় যথেষ্ট ক্ষুব্ধ তা রাকঢাক না রেখেই স্পষ্ট করলেন রাজ্যপাল তথা আচার্য জগদীপ ধনকর।

আজকের ঘটনায় ক্ষুধ হয়ে রাজ্যপাল জানিয়েছেন, আইনের শাসন ভেঙ্গে পরেছে১। আচার্যের ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছে, এতে রাজ্যের ষড়যন্ত্র রয়েছে। এই মন্তব্যে করে আগামী বছর সুরুতে ১৩ জানুয়ারি সমস্ত উপাচার্যকে রাজভবনে তলপ করেছেন তিনি, একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সঙ্গে ১৫ দিনের মধেয় আলোচনা করতে চেয়েছেন তিনি। এদিন সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘেরাও হয়ার সময় গাড়ির ভিতরে থেকেই নিজের ক্ষোভ প্রকাস করেন রাজ্যপাল। তিনি আরও বলেন,“এই রাজেয় গনতন্ত্র সম্পূর্ণ রুপে ভেঙ্গে পড়েছে। যা চলছে এর পিছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে। 

প্রসঙ্গত, সোমবারের পর মঙ্গলবারও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট বন্ধ থাকল রাজ্যপালের জন্য। তবে সোমবার ভিতরে ঢুকে পারলেও কোর্টের বৈঠকে যোগ দিতে পারেননি তিনি। আর এদিন শিক্ষা বন্ধু সংগঠন এবং পড়ুয়াদের বিক্ষোভের জেরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশই করতে পারল না জগদীপ ধনকরের গাড়ি। প্রায় দেড় ঘণ্টা গাড়িতে বসে থেকে ফিরে আসতে হয় তাঁকে। আর রাজ্যপাল তথা আচার্যকে ছাড়াই শুরু হয় সমাবর্তন অনুষ্ঠান।

একটি সংবাদ মাধ্যমের সুত্রে জানা গেছে,‘উপাচার্যের এদিনের ভূমিকা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি রিমোর্ট কন্ট্রোলে চলছেন। তাঁর অআচরণে অআমি দুঃখিত।’ পাশাপাশি এদিন রাজ্য সরকারকেও একহাত নিয়েছেন রাজ্যপাল। তাঁর কথায়, ‘উচ্চ শিক্ষা দফতর কোনও তথ্য দিচ্ছে না। রাজ্য সরকারের কোনও সহযোগিতা পাচ্ছি না। এটা কাঙ্খিত নয়।’এরপরই অবশ্য আগামী ১৩ জানুয়ারি রাজ্যে সবকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের তলব করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। পাশাপাশি ডাকা হয়েছে রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দফতরের আধিকারিকদেরও।

 অন্যদিকে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুরঞ্জন দাস বলেন, ‘আচার্যকে ছাড়া সমাবর্তন অনুষ্ঠান করা আমার ব্যাক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়। এটা কোর্টের সিদ্ধান্ত। আমাকে তো বিশ্ববিদ্যালয়ের রীতি, নিয়ম মেনে চলতে হবে।’