বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা! আমেরিকাকে যুদ্ধের হুমকি ইরানের

1688

ওয়েব ডেস্ক, ৩ জানুয়ারিঃ মার্কিন সেনাবাহিনীর বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের সেনাপ্রধান কাসেম সোলেমানি।বাগদাদ বিমানবন্দরে একই হামলায় মৃত্যু হয়েছে তেহরান সমর্থিত ইরাকি আধাসেনার আরও এক পদস্থ কর্তার।হামলার পরই টুইট করে মার্কিন জাতীয় পতাকার ছবি পোস্ট করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।হামলার দায় স্বীকার করেছে পেন্টাগনও।এবার পালটা হুংকার তেহরানের। ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রৌহানির হুমকি, এই ‘আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদে’র ‘ফল ভুগতে’ হবে আমেরিকাকে। প্রেসিডেন্ট রৌহানির আরও হুমকি, শুধু ইরান নয়, ওয়াশিংটনকে জব্দ করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রৌহানি।

সেনাপ্রধানের হত্যার খবরের পরই সুইৎজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে তেহরান।তিনি বর্তমানে ইরানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। ইরানের দাবি, আইএসআইএস-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন সুলেমানি।এদিকে, সুলেমানির মৃত্যুর পর রাস্তায় বেরিয়ে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছ্বাসের ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন মার্কিন বিদেশসচিব মাইক পম্পেও।

শুক্রবার ভোররাতেই আচমকা ইরাকের বাগদাদ বিমানবন্দর লক্ষ্য করে অন্তত চারটি রকেট হামলা চালানো হয়।মার্কিন বাহিনীর হেলিকপ্টার থেকে বিমানবন্দরে দুটি গাড়ি লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয় বলে জানা গেছে ইরাকের সংবাদমাধ্যম সূত্রে। এই হামলাতেই ইরানের সেনাপ্রধান কাসেম সুলেমানি, আধাসেনার পদস্থ অফিসার আবু মেহদি আল মুহানদিস এবং বিমানবন্দরের অফিসার মহম্মদ রেদারের মৃত্যু হয়।

প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই মার্কিন হামলায় তেহরান সমর্থিত ইরাকের আধাসামরিক বাহিনী নিয়ন্ত্রিত হিজবুল্লা গোষ্ঠীর ৩০ জনের মৃত্যুর পর, বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালানো হয়। ভাঙচুরের পাশাপাশি আগুন লাগানো হয়। মার্কিন বিদেশ সচিবের অভিযোগ ছিল, জঙ্গিদের দিয়ে হামলার পিছনে রয়েছে ইরানই। ‘বড়সড় মূল্য দিতে হবে’ হুমকি দিয়ে পশ্চিম এশিয়ায় শয়ে শয়ে সেনা পাঠানোর কথা বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।