“তুই বিক্রি হয়ে গেলি, খেলতে নামলি” সায়নীর যোগদানে কটাক্ষ শ্রীলেখার

2883

ওয়েব ডেস্ক, ২৪ ফেব্রুয়ারীঃ আজ খ্যাতনামা অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ তৃণমূলে যোগদান করলেন। তার এই যোগদানকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে ব্যাপক জল্পনার সূত্রপাত হয়েছে রাজ্যরাজনীতিতে। আজ সায়নীর তৃণমূলে যোগদানকে কেন্দ্র করে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন শ্রীলেখা মিত্র। এদিন তিনি বলেন, “আজ তৃনমূল যোগ দেবার পর সায়োনীকে ভালোভাবে নিতে পারেনি শ্রীলেখা মিত্র। সোশ্যাল মিডিয়ায় সহকর্মীর উদ্দ্যেশ্যে বিষ্ফোরক মন্তব্য করেছেন। আক্ষেপের সুরে তিনি লেখেন, ‘কেন এই রাজনীতির রঙ বদলের দিনে সায়নীও বিক্রি হয়ে গেলেন!’

উল্লেখ্য, অনীক দত্তের ছবি ‘ভবিষ্যতের ভূতের’ প্রদর্শনী বন্ধের প্রতিবাদে সায়নীকে একটা সময় সুর চড়াতে লক্ষ্য করা যায়। ঠিক সেই সময় থেকেই ঘনিষ্ঠ মহলে সায়নী বামপন্থী হিসেবে পরিচয় পায়। অতীতের এই প্রসঙ্গ তুলে আজ শ্রীলেখা দেবী বললেন, ‘যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল অনীক দত্তর ছবি বন্ধ করে দিল, তখন ওকেই আমি দেখেছি বিভিন্ন মঞ্চে উঠে প্রতিবাদ করতে। এমন কী ঘটে গেল? আমি ওঁকে যথেষ্ট স্নেহ করতাম। একসঙ্গে কাজও করেছি। ওঁর সঙ্গে আমি খুব যে মিশেছি তা নয়, পেশাগতভাবেই মিশেছি। কিন্তু এমন কী হল বুঝতে পারছি না। কী টোপ দিল? আমার মনে হয় ও কোনও বড় টোপ পেয়েছে। ওঁকে হয়তো ইলেকশনে দাঁড় করানো হবে। সেটা যদি হয়ও, টোপ পেলেই যে মানুষ টোপটা গিলে নেবে, সেটা তো হয় না? আমি অন্তত ভাবিনি সায়নী এই টোপটা গিলে নেবে।’

পাশাপাশি তিনি আক্ষেপএর সুরে আরও বলেন, ‘ও ভীষণভাবে বামপন্থী ছিল বলে আমি জানতাম। যে এত ভাল কথা বলে, ছাত্রছাত্রীরা ওঁকে আদর্শ মনে করত। তাঁদের কাছে ওঁর কী ভাবমূর্তি দাঁড়াল? ও যে রুদ্রনীলকে পালটিবাজ বলে আক্রমণ করেছিল, এবার ও নিজেই তো সেটা করল। যাঁরা বামপন্থায় বিশ্বাস করেন, তাঁরা বিক্রি হন না বলেই আমি জানতাম। আমার কাছেও তো প্রলোভন এসেছিল। আমাকেও টোপ দেওয়া হয়েছিল। আমি তো সেটা শোনার প্রয়োজনও বোধ করিনি। আমি খুব আশাহত। আমি জানি না ওঁর সঙ্গে কী বলব। সায়নীর এই সিদ্ধান্ত আমাকে সত্যিই হতভম্ব করেছে।’